প্রতিদিন ২৪ ডেস্ক
ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি সম্পর্কে
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট হয়েছে।সোসাইটির পক্ষে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমিন রোববার আবেদনটি করেন বলে তার আইনজীবী মিজান
রিটে ‘ওই প্রতিবেদন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে।
এতে বিবাদী করা হয়েছে অর্থ সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে।
মিজান সাঈদ বলেন, “ব্যাংক কোম্পানি আইন-১৯৯১ এর ৫১ ধারা অনুসারে ওই পরিদর্শন প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই আইনের তিন ধারায় বলা আছে, সমবায় সমিতি ক্ষেত্রে এই আইনের ৪৪ ধারা ব্যতীত অন্য ধারাগুলো প্রযোজ্য হবে না।
আর ৪৪ ধারা অনুসারে পরিদর্শন প্রতিবেদন দিতে হলে আমাদের অনুলিপি দিতে হবে। শুনানি করতে হবে। এসব প্রক্রিয়া অবলম্বন না করেই ১১ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিবেদনটি দিয়ে দেয়।”
গত কয়েক ধরে বিভিন্ন
সংবাদপত্রে ডেসটিনি গ্রুপের ‘অবৈধ ব্যাংকিং’ নিয়ে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
ডেসটিনিসহ এমএলএম কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে এসব কোম্পানির বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে
অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এই পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমোদনবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যাংকের মতো লেনদেন না করার জন্য একটি নির্দেশনা জারি করে ১ এপ্রিল। নির্দেশনায় বলা হয়, “এ ধরনের প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিক উচ্চ হারে সুদ ও আকর্ষণীয় মুনাফার লোভ দেখিয়ে জনসাধারণ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে।”
এ বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী শনিবার সাংবাদিকদের বলেন, “গত কয়েকদিনে পত্রপত্রিকায় ডেসটিনি নিয়ে এত লেখালেখি হয়েছে যে এখন একটা ইমার্জেন্সি পরিস্থিতির মতো সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় সরকার কোনো অ্যাকশন না নিয়ে থাকতে পারে না।”
এই পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমোদনবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যাংকের মতো লেনদেন না করার জন্য একটি নির্দেশনা জারি করে ১ এপ্রিল। নির্দেশনায় বলা হয়, “এ ধরনের প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিক উচ্চ হারে সুদ ও আকর্ষণীয় মুনাফার লোভ দেখিয়ে জনসাধারণ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে।”
এ বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী শনিবার সাংবাদিকদের বলেন, “গত কয়েকদিনে পত্রপত্রিকায় ডেসটিনি নিয়ে এত লেখালেখি হয়েছে যে এখন একটা ইমার্জেন্সি পরিস্থিতির মতো সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় সরকার কোনো অ্যাকশন না নিয়ে থাকতে পারে না।”
No comments:
Post a Comment