প্রতিদিন ২৪ ডেস্ক
মুনাফার লোভ দেখিয়ে নিরীহ মানুষকে প্রতারণা থেকে রক্ষা করতে দ্রুত মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) আইন প্রণয়নের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ
ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনতে একটি খসড়া বিল জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে উপস্থাপনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার সংসদীয় কমিটির সভাপতি এ বি এম আবুল কাসেম সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন এমএলএম কোম্পানি বিপুল মুনাফা দেয়ার লোভ দেখিয়ে দেশের বহু নিরীহ মানুষকে প্রতারিত করছে। কাজেই জনগণকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করতেই দ্রুত এমএলএম আইন
রোববার সংসদীয় কমিটির সভাপতি এ বি এম আবুল কাসেম সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন এমএলএম কোম্পানি বিপুল মুনাফা দেয়ার লোভ দেখিয়ে দেশের বহু নিরীহ মানুষকে প্রতারিত করছে। কাজেই জনগণকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করতেই দ্রুত এমএলএম আইন
প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এমএলএম কোম্পানি ‘ডেসটিনি ২০০০ লিমিটিড' এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানোরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ডেসটিনির বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। এই সদস্যদের মাধ্যমেই প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করছে কোম্পানিটি। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে- গ্রাহক পর্যায়ে টাকা সংগ্রহ করার কোন লাইসেন্স নেই কোম্পানিটির। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথ্য ফাঁস করার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন দৈনিকে প্রতিদিনই ছাপা হচ্ছে জনগণের সাথে তাদের প্রতারণার বিভিন্ন চিত্র।
জানা গেছে, ১৯৯৪/৯৫ সালের দিকে বাংলাদেশে এমএলএম ব্যবসার সূত্রপাত ঘটান কয়েকজন যুবক। ঘরে বসে লাখ লাখ টাকা আয়ের অভিনব এই ফাঁদে পড়ে হাজার হাজার যুবক প্রতারণার শিকার হন। ১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত যে কয়েকটি এমএলএম কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় তার কোনটিই ২০০০ সালের পর মার্কেটে আর তাদের কার্যক্রম চালাতে দেখা যায়নি। এ সময় পরিচালিত জিজিএন, নিউওয়ে, তাইফু বিডি লিমিটেডের মত এমএলএম কোম্পানির সাথে যারা সক্রিয়ভাবে মার্কেটিং এর কাজে জড়িত ছিলেন, তাদের কয়েকজন মিলেই প্রতিষ্ঠা করেন ডেসটিনি ২০০০। মাঠ পর্যায়ে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানিটি দ্রুতই সফলতা পেয়ে যায়।
মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি বা এমএলএম ব্যবসা উন্নত বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয় এমএলএম মার্কেটিং এর সঙ্গে জড়িতরা এই দাবী করে থাকেন। তারা বিভিন্ন ভিডিওগ্রাফী ও ওয়েবসইটের মাধ্যমে তা তুলে ধরে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য রেডিও তেহরানকে বলেছেন, এমএলএম ব্যবসা সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নেই এবং কোথায় এ ধরনের ব্যবসা হচ্ছে তাও জানা নেই। এসব কোম্পানি কিভাবে বাংলাদেশে ব্যবসা করছে তার উত্তর বাংলাদেশ ব্যাংক দিতে পারবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. বেলায়েত হোসেন রেডিও তেহরানকে বলেছেন, মার্কেটিং-এ মাল্টি লেভেল পদ্ধতি বলতে কোন কিছু নেই। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় বাংলাদেশে এ কাজটি করা হচ্ছে। বৈধ কাগজপত্র না নিয়ে আইনের কোন ফাঁকে কিভাবে কোম্পানিগুলো ব্যবসা করছে তা বোধগম্য নয়।
এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কি ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায় জানতে চাইলে বিশিষ্ট আইনজীবী ও সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুব হোসেন রেডিও তেহরানকে বলেছেন, সরকারের উদাসীনতার কারণেই এ জাতীয় কোম্পানিগুলো ব্যবসা করতে পারছে। আর এখন হঠাৎ করে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসব কম্পানীকে অবৈধ বলার পর যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাদের দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
এদিকে এমএলএম কোম্পনী ডেসটিনি'র প্রতারণার খবর প্রচার হবার পর থেকে লাখ লাখ কর্মী গা ঢাকা দিয়েছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ডেসটিনির হাজার হাজার অফিস বন্ধ হতে শুরু করেছে।
জানা গেছে, ১৯৯৪/৯৫ সালের দিকে বাংলাদেশে এমএলএম ব্যবসার সূত্রপাত ঘটান কয়েকজন যুবক। ঘরে বসে লাখ লাখ টাকা আয়ের অভিনব এই ফাঁদে পড়ে হাজার হাজার যুবক প্রতারণার শিকার হন। ১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত যে কয়েকটি এমএলএম কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় তার কোনটিই ২০০০ সালের পর মার্কেটে আর তাদের কার্যক্রম চালাতে দেখা যায়নি। এ সময় পরিচালিত জিজিএন, নিউওয়ে, তাইফু বিডি লিমিটেডের মত এমএলএম কোম্পানির সাথে যারা সক্রিয়ভাবে মার্কেটিং এর কাজে জড়িত ছিলেন, তাদের কয়েকজন মিলেই প্রতিষ্ঠা করেন ডেসটিনি ২০০০। মাঠ পর্যায়ে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানিটি দ্রুতই সফলতা পেয়ে যায়।
মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি বা এমএলএম ব্যবসা উন্নত বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয় এমএলএম মার্কেটিং এর সঙ্গে জড়িতরা এই দাবী করে থাকেন। তারা বিভিন্ন ভিডিওগ্রাফী ও ওয়েবসইটের মাধ্যমে তা তুলে ধরে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য রেডিও তেহরানকে বলেছেন, এমএলএম ব্যবসা সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নেই এবং কোথায় এ ধরনের ব্যবসা হচ্ছে তাও জানা নেই। এসব কোম্পানি কিভাবে বাংলাদেশে ব্যবসা করছে তার উত্তর বাংলাদেশ ব্যাংক দিতে পারবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. বেলায়েত হোসেন রেডিও তেহরানকে বলেছেন, মার্কেটিং-এ মাল্টি লেভেল পদ্ধতি বলতে কোন কিছু নেই। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় বাংলাদেশে এ কাজটি করা হচ্ছে। বৈধ কাগজপত্র না নিয়ে আইনের কোন ফাঁকে কিভাবে কোম্পানিগুলো ব্যবসা করছে তা বোধগম্য নয়।
এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কি ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায় জানতে চাইলে বিশিষ্ট আইনজীবী ও সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুব হোসেন রেডিও তেহরানকে বলেছেন, সরকারের উদাসীনতার কারণেই এ জাতীয় কোম্পানিগুলো ব্যবসা করতে পারছে। আর এখন হঠাৎ করে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসব কম্পানীকে অবৈধ বলার পর যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাদের দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
এদিকে এমএলএম কোম্পনী ডেসটিনি'র প্রতারণার খবর প্রচার হবার পর থেকে লাখ লাখ কর্মী গা ঢাকা দিয়েছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ডেসটিনির হাজার হাজার অফিস বন্ধ হতে শুরু করেছে।

No comments:
Post a Comment